বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং যখন সবে শুরু হচ্ছিল, তখন বেশিরভাগ মানুষ জানতেনই না যে ঘরে বসে এভাবে গেম খেলে টাকা জেতা যায়। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। মোবাইল ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ার পর থেকে ex 99-এর মতো প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন হাজার হাজার নতুন মানুষ যোগ দিচ্ছেন।
কিন্তু সবাই কি একই গেম খেলেন? না। কেউ পছন্দ করেন স্লটের ঘুরন্ত রিল আর মাল্টিপ্লায়ারের রোমাঞ্চ, কেউ চান লাইভ ডিলারের সাথে বাকারাতের টেবিলে বসার অভিজ্ঞতা, আবার কেউ Aviator-এর মতো ক্র্যাশ গেমে মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে ভালোবাসেন। ex 99 এই সব ধরনের পছন্দ মাথায় রেখেই তার গেম লাইব্রেরি তৈরি করেছে।
গেমগুলো আসলে কতটা ফেয়ার?
এটা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে। ex 99-এ যে গেমগুলো আছে সেগুলো Pragmatic Play, Evolution Gaming, PG Soft, JILI, Spribe-এর মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রোভাইডারের তৈরি। এই কোম্পানিগুলো eCOGRA বা iTech Labs-এর মতো স্বাধীন সংস্থার দ্বারা নিয়মিত অডিট হয়। RNG (Random Number Generator) ব্যবহার করে প্রতিটি স্পিনের ফলাফল সম্পূর্ণ র্যান্ডম রাখা হয়।
প্রতিটি গেমের পেজে RTP (Return to Player) শতাংশ স্পষ্টভাবে লেখা থাকে। যেমন Sweet Bonanza-তে RTP ৯৬.৫%, যার মানে দীর্ঘমেয়াদে প্রতি ১০০ টাকা বেটে গড়ে ৯৬.৫ টাকা রিটার্ন আসে। এটা কোনো গ্যারান্টি নয়, কিন্তু গেমের ফেয়ারনেস বোঝার একটা ভালো মাপকাঠি।
মোবাইলে গেমিং অভিজ্ঞতা
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ব্যবহারকারী স্মার্টফোন থেকে ex 99 ব্যবহার করেন। সেটা মাথায় রেখে পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইল-অপ্টিমাইজড। গেম লোড হতে সময় লাগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড, ছবির মান ভালো থাকে কম ব্যান্ডউইথেও। আঙুলের টাচেই সব নিয়ন্ত্রণ করা যায় — বেট বাড়ানো, স্পিন দেওয়া, ব্যালেন্স চেক করা সব কিছু।